দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সৌদি আরবের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্র পূরণ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ইরান-সমর্থিত হুথিদের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে সৌদি আরবের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়ে ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি যেদিকেই গড়াক, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় সৌদি আরবের পাশে থাকবে এবং তাদের সমর্থন করবে। কারণ, সৌদি আরবের সঙ্গে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চুক্তি রয়েছে।
রুবিও বলেন, এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ও জটিল একটি সংঘাত। হুথিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেরও দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। এই সংঘাতের কারণে লোহিত সাগর ও সৌদি আরবের অর্থনীতিতে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক, সেটি তারা চান না।
সৌদি আরবের সঙ্গে চলমান আলোচনা নিয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ্যে বলা সম্ভব নয় উল্লেখ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব প্রতিশ্রুতি রয়েছে, সেগুলো তারা পূরণ করবে এবং ইতোমধ্যে তা করে আসছে।
রুবিওর এ বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন সৌদি আরবের অনুরোধ সত্ত্বেও ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এখনো সরাসরি সামরিক অভিযান শুরু করেনি। তবে হুথিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তা দিয়ে আসছে ওয়াশিংটন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সৌদি আরবকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে গুরুত্বহীন করে দেখিয়েছেন।
এদিকে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম সোমবার সৌদি যুদ্ধবিমানকে সীমিত সময়ের জন্য প্রতিরক্ষামূলক আকাশপথে জ্বালানি সরবরাহের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথিরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রুবিও বলেন, সংঘাতটি শুধু হুথিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইরান-সমর্থিত ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতায়েব হিজবুল্লাহও সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় সৌদি আরবের প্রধান একটি তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাইপলাইনটি দ্রুত চালু করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/